• আজ- বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা আশাশুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ: গ্রেফতার দেবহাটার শামীম হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: প্রধান আসামি আমিনীকে ছাড়াতে ‘উগ্রপন্থীরা’ তৎপর কালিগঞ্জে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক

পারমাণবিক বাংকারে স্বর্ণের পাহাড়, নতুন মোড় বিশ্ব অর্থনীতিতে

রিপোর্টার: / ৮৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সুইজারল্যান্ডের আল্পস পর্বতমালার গভীরে অবস্থিত শীতল যুদ্ধের সময়কার একটি পরিত্যক্ত পারমাণবিক বাংকার এখন বিশ্বের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

এই উচ্চ-নিরাপত্তাসম্পন্ন ভল্টে প্রতি সপ্তাহে গড়ে এক থেকে দুই টন স্বর্ণ জমা করছে বিশ্বের অন্যতম বড় ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতিষ্ঠান ‘টেদার হোল্ডিংস’। বর্তমানে বিভিন্ন ব্যাংক ও রাষ্ট্রীয় রিজার্ভের বাইরে টেদারের কাছেই রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম স্বর্ণমজুত, যা বিশ্বজুড়ে স্বর্ণের বাজারে এক বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ব্লুমবার্গের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত এক বছরে টেদার প্রায় ৭০ টনের বেশি স্বর্ণ কিনেছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির কাছে মোট ১৪০ টন স্বর্ণ মজুত রয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই বিশাল মজুতের পরিমাণ অনেক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভকেও ছাড়িয়ে গেছে।

গত বছর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি রেকর্ড ৫,২০০ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার পেছনে টেদারের মতো প্রতিষ্ঠানের বিশাল বিনিয়োগকে অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

টেদারের প্রধান নির্বাহী পাওলো আরদোইনো এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তারা তাদের বিশাল লভ্যাংশ ধারাবাহিকভাবে স্বর্ণ কেনায় বিনিয়োগ করছেন এবং অচিরেই তারা বিশ্বের অন্যতম বড় ‘স্বর্ণের কেন্দ্রীয় ব্যাংক’-এ পরিণত হতে যাচ্ছেন।

তিনি আরও ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে মার্কিন ডলারের বিকল্প হিসেবে বিশ্বের অনেক শক্তিশালী দেশ অচিরেই স্বর্ণ-নির্ভর মুদ্রা ব্যবস্থা চালুর দিকে ঝুঁকবে। ডিজিটাল মুদ্রার পাশাপাশি ভৌত সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের ওপর টেদারের এই অগাধ আস্থা মূলত সরকারি ঋণের ওপর ক্রমবর্ধমান অবিশ্বাসেরই প্রতিফলন।

পেশাদারিত্ব এবং গোপনীয়তা রক্ষায় টেদার এতটাই কঠোর যে, তারা বিশ্ববিখ্যাত ব্যাংক এইচএসবিসির জ্যেষ্ঠ স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের নিজেদের প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দিয়েছে। বর্তমানে তাদের এই বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার সুইজারল্যান্ডের একটি সুরক্ষিত আন্ডারগ্রাউন্ড বাংকারে স্টিলের পুরু দরজার আড়ালে সংরক্ষিত রয়েছে, যাকে আরদোইনো রসিকতা করে ‘জেমস বন্ডের আস্তানা’র সঙ্গে তুলনা করেছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে টেদারের এই ‘গোল্ডেন ফোর্ট্রেস’ বা স্বর্ণের দুর্গ বিশ্ব অর্থনীতির প্রচলিত মেরুকরণকে চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

সূত্র: দ্য টাইমস্ অব ইন্ডিয়া।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ