• আজ- বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা আশাশুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ: গ্রেফতার দেবহাটার শামীম হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: প্রধান আসামি আমিনীকে ছাড়াতে ‘উগ্রপন্থীরা’ তৎপর কালিগঞ্জে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক

ডাক্তারি পড়তে চাপ দেওয়ায় বাবাকে খুন করে ড্রামে ভরল ছেলে

রিপোর্টার: / ৮০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: লখনউয়ের অভিজাত আসিয়ানা এলাকায় ডাক্তারি পড়ার চাপকে কেন্দ্র করে এক ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

২১ বছর বয়সি এক যুবক তার বাবাকে গুলি করে হত্যা করার পর দেহ খণ্ডবিখণ্ড করে একটি নীল প্লাস্টিকের ড্রামে লুকিয়ে রেখেছিলেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ অভিযুক্ত অক্ষত সিংকে গ্রেফতার করার পর এই লোমহর্ষক ঘটনার বিস্তারিত প্রকাশ্যে আসে।

নিহত মানবেন্দ্র সিং (৪৯) পেশায় এক মদ ব্যবসায়ী এবং প্যাথলজি ল্যাবের মালিক ছিলেন। পুলিশ জানায়, শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ভোরবেলা পড়াশোনা নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে প্রচণ্ড ঝগড়া হয়। মানবেন্দ্র চেয়েছিলেন তার ছেলে বিকম ছেড়ে নিট পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে ডাক্তার হোক, কিন্তু ছেলে তাতে রাজি ছিলেন না। তর্কের এক পর্যায়ে অক্ষত তার বাবার লাইসেন্সকৃত রাইফেল দিয়ে তাকে গুলি করেন। এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে অক্ষতের একাদশ শ্রেণিতে পড়ুয়া ছোট বোনের চোখের সামনেই। কাউকে কিছু বললে তাকেও মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছিল।

হত্যাকাণ্ডের পর প্রমাণ লোপাটের জন্য অক্ষত বাড়ির তিন তলা থেকে দেহটি টেনে নিচে নামিয়ে আনেন এবং ঘরোয়া যন্ত্রপাতি দিয়ে দেহটি কয়েক খণ্ড করেন। দেহের হাত ও পাগুলো গাড়িতে করে শহরের উপকণ্ঠে একটি নির্জন এলাকায় ফেলে দিয়ে আসেন, আর ধড় ও মাথাটি একটি নীল ড্রামে ভরে বাড়ির নিচতলার একটি ঘরে লুকিয়ে রাখেন।

এক বছর আগে মিরাটে ঘটে যাওয়া একটি আলোচিত ড্রাম-মার্ডার কেস থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে অক্ষত এই চক্রান্ত সাজিয়েছিলেন বলে পুলিশ জানতে পেরেছে।

মানবেন্দ্র নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর পরিবারের পক্ষ থেকে নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়েছিল। তবে পুলিশের জেরায় অক্ষতের বক্তব্যে অসংগতি দেখা দেওয়ায় সন্দেহ তৈরি হয়। পরবর্তীতে পুলিশ তাদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সেই নীল ড্রামটি উদ্ধার করে।

অভিযুক্ত যুবক প্রথমে আত্মহত্যার গল্প সাজালেও কড়া জেরার মুখে স্বীকার করেন যে তিনি এক বছর ধরে এই খুনের পরিকল্পনা করছিলেন। নিহত মানবেন্দ্রর স্ত্রী ৯ বছর আগে মারা যান এবং তার বাবা ছিলেন উত্তরপ্রদেশ পুলিশের একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। এই ঘটনা লখনউ জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ