
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গা জেলা শহর দীর্ঘ্যদিন ধরে মাদকের স্বর্গরাজ্য নামে খ্যাত।স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও এ শহর থেকে মাদক নির্মুল করা সম্ভব হয়নি।রাজনৈতিকদের স্বদিচ্ছা না থাকায় দিন দিন মাদকের ব্যবহার বেপরোয়া গতি লাভ করেছে। সচেতন অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের মাদকাসক্ত থেকে ফেরাতে চায়।কিন্তু কোন উপায় যে নেই।
এবার চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড. মাসুদ পারভেজ রাসেল’র কঠোর মাদক বিরোধী অবস্থান শহরবাসীকে আশান্বিত করেছে। অনেকেই জানিয়েছে, এবার কি আমরা মাদক নিয়ন্ত্রণ মুক্ত শহর পাচ্ছি? অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের মাদকের বিকিকিনির চিত্র।
অনুসন্ধানকালে দেখা যায়, “শহরের বড়বাজার এলাকায় ” অনলাইন মাদক কারবার” বিদ্যমান। পুজাতলা থেকে দৌলৎদিয়াড় তাঁরা মসজিদ পর্যন্ত ২২ টি স্পটে অভিনব কায়দায় দীর্ঘ্যদিন ধরে ট্যাপেন্ডা, ফেঁনসিডিল, ইয়াবা বিকিকিনি করা হয়। বেশির ভাগ শহরে কতিপয় “অটোচালকরা মাদক সেলসম্যান হিসেবে জড়িত। মুল ডিলার বিভিন্ন মাদকাসক্তদের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে নির্দিষ্ট কিছু অটোচালকদের মাধ্যমে মাদক পৌছে দিয়ে থাকে।যা সাধারণতঃ সন্দেহের বাইরে থাকে।
অনুসন্ধানকালে জানতে পারে, শহরের পুজাতলা পাড়ার মৃত, রাজ্জাকের ছেলে বাসার (৫০) ও তার স্ত্রী মিলে অনলাইন মাদক কারবার করে থাকে। এতে সেলসম্যান হিসেবে কাজ করে কয়েকজন অটোচালক। যারা শহরে ভাড়ার সাথে সাথে রুট বাই রুট ট্যাপেন্ডো পৌছে দেয়।
একই পাড়ার রিকন (৪২) ইয়াবা’র মূল ডিলার হয়ে অনলাইনে যোগাযোগের পর তার শ্যালকরা যথাক্রমে রবিন, রুবেল, রিমন, নূরু, আফজাল ও মুকতাজের ছেলে সাদিদ সেলসম্যান হিসেবে কাজ করে। এরা বেশির ভাগ বড় বাজার মাথাভাঙ্গা ব্রিজের আশেপাশে থেকে বিনিময় করে থাকে এবং মল্লিক পাড়ার রানা-আবজাল, উত্তম-আসলাম দীর্ঘ্যদিন ধরে ফেন্সিডিলের ব্যবসা করে থাকে। এটাও বিভিন্ন অটোচালক কিংবা পাখিভ্যান চালকদের মাধ্যমে ক্রেতাদের কাছে পৌছে দেয়।