• আজ- বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা আশাশুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ: গ্রেফতার দেবহাটার শামীম হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: প্রধান আসামি আমিনীকে ছাড়াতে ‘উগ্রপন্থীরা’ তৎপর কালিগঞ্জে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক

দুই বছরের কন্যাকে নিয়ে ২৩ তলা থেকে ঝাঁপ দিলেন বাবা

রিপোর্টার: / ৮৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গুরগাঁওয়ে একটি আবাসিক ভবনের ২৩ তলা থেকে দুই বছরের কন্যাসন্তানকে কোলে নিয়ে ঝাঁপ দিয়ে এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার সকালে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় বাবা ও মেয়ের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গতকাল সোমবার (১৬ মার্চ) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে গুরুগাঁওয়ের ১০২ নম্বর সেক্টরের একটি আবাসিক সোসাইটিতে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশের বরাতে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহত রাহুল বিজয়ারণ (৩৫) দিল্লির নাংলোই এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই আবাসিকের ৯ নম্বর টাওয়ারে থাকতেন। তবে তিনি অন্য একটি টাওয়ার থেকে ঝাঁপ দেওয়ায় ঘটনাটি সন্দেহজনক বলে মনে করা হচ্ছে।

পরিবারের সদস্যদের দাবি, কোভিড-১৯ মহামারির সময় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তিনি একটি চোখের দৃষ্টিশক্তি হারান এবং এ কারণে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন।

পুলিশ জানায়, সোমবার সকালে স্ত্রী নীতু দাহিয়া বাড়িতে রান্না করছিলেন। এ সময় বিজয়ারণ তাদের ছোট মেয়ে ভামিকাকে নিয়ে সোসাইটির পার্কে খেলতে যান। পরে তিনি টাওয়ার ৫-এর ২৩ তলায় উঠে মেয়েকে কোলে নিয়েই ঝাঁপ দেন।

নিচে হইচই শুনে নীতু বাইরে বেরিয়ে দেখেন তার স্বামী ও সন্তান রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের দ্রুত একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

রাহুলের ভাই অমিত পুলিশকে জানান, ২০১৪ সালে তার ভাইয়ের বিয়ে হয়। এই দম্পতির ১১ বছরের আরও একটি মেয়ে আছে। সে দেরাদুনের একটি হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করে।

অমিত আরও জানান, তার ভাই দুই মাস ধরে ওই সোসাইটিতে বসবাস করছিলেন। তিনি দিল্লির কিরাড়ি এলাকায় একটি স্কুল পরিচালনা করতেন।

অমিত বলেন, করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর আমার ভাইয়ের চোখের মারাত্মক ক্ষতি হয়। তিনি এক চোখের সম্পূর্ণ দৃষ্টি হারান এবং অন্য চোখেও খুব সামান্য দেখতেন। এ কারণে তিনি গভীর মানসিক কষ্টে ভুগছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত এই চরম পথ বেছে নেন।

এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবার কোনো আইনি ব্যবস্থা নিতে চায়নি বলে জানান সাব-ইন্সপেক্টর জগমল সিং। তিনি আরও বলেন, আত্মহত্যার পেছনের কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কোনো সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। তিনি কেন অন্য টাওয়ার থেকে ঝাঁপ দিলেন, সেটিও তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ