• আজ- বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা আশাশুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ: গ্রেফতার দেবহাটার শামীম হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: প্রধান আসামি আমিনীকে ছাড়াতে ‘উগ্রপন্থীরা’ তৎপর কালিগঞ্জে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক

দিল্লির হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: অবহেলার অভিযোগে রাঁধুনি গ্রেফতার

রিপোর্টার: / ৭০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের দিল্লির একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২১ জনের মৃত্যুর তিন দিন পর হোটেলের রাঁধুনি কেশব নেগিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এক শনিবার (৬ জুন) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (৩ জুন) সকালে ফ্লারিশ ইন হোটেলে আগুন লাগে। এতে  ২১ জন অতিথি নিহত হন।  এদের মধ্যে ৯ জন ভারতীয় এবং ১২ জন বিদেশি নাগরিক ছিলেন।

পুলিশ সূত্রের দাবি, কেশব নেগির অবহেলার কারণেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় নেগিসহ আরও কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এর আগে হোটেলের মালিক লাভকেশ বাজাজকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, রান্নাঘরে বৈদ্যুতিক চুলা চালু করার পর বিস্ফোরণ ঘটে এবং সেখান থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়। ঘটনার পর কেশব নেগি প্রাণ বাঁচাতে হোটেল থেকে বেরিয়ে যান। তিনি দাবি করেছিলেন, বিস্ফোরণের পর তিনি হোটেলের মূল বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে ধোঁয়ার মধ্যে দিয়ে বাইরে চলে আসেন।

তবে পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়ার ফলে হোটেলের ইলেকট্রনিক দরজাগুলো লক হয়ে যায়। এতে বহু অতিথি ভেতরে আটকা পড়েন। এক দম্পতি বাথরুমে আটকা পড়ে শ্বাসরোধে মারা যান, কারণ তারা দরজা খুলে বের হতে পারেননি।

পুলিশের মতে, নেগির এই অবহেলাপূর্ণ পদক্ষেপের কারণে অনেক মানুষ আগুনে ঘেরা ভবন থেকে বের হওয়ার সুযোগ পাননি।

তদন্তকারীরা এখন পুরো ঘটনার বিস্তারিত কারণ খতিয়ে দেখছেন। হোটেলের কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

এই অগ্নিকাণ্ডে আরও অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। এটি ২০২২ সালের পর দিল্লিতে সবচেয়ে প্রাণঘাতী অগ্নিকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ