• আজ- বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা আশাশুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ: গ্রেফতার দেবহাটার শামীম হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: প্রধান আসামি আমিনীকে ছাড়াতে ‘উগ্রপন্থীরা’ তৎপর কালিগঞ্জে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক

ইরান যুদ্ধে চীন ও রাশিয়া নিরপেক্ষ ছিল: ট্রাম্প

রিপোর্টার: / ৭৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।  তিনি বলেছেন,  ইরানকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সংঘাতে চীন ও রাশিয়ার ভূমিকা ছিল ‘নিরপেক্ষ’, যা পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়া থেকে রক্ষা করেছে।

ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ শহরে অনুষ্ঠিত জি–৭ সম্মেলনের সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সংঘাত চলাকালে এমন কোনো পদক্ষেপ নেননি, যা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করতে পারত।

ট্রাম্প বলেন, ‘চীন ও রাশিয়া অস্ত্র পাঠায়নি বা এমন কিছু করেনি, যা যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক ও সামরিক প্রচেষ্টাকে জটিল করে তুলতে পারত।’

তিনি বলেন, ‘আমি তাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই, কারণ এতে পরিস্থিতি অনেকটা সহজ হয়েছে।’

তিনি আরও জানান, দুই নেতা চাইলে পরিস্থিতি আরও কঠিন করতে পারতেন, কিন্তু তারা বরং নিরপেক্ষ থাকার সিদ্ধান্ত নেন।

জি–৭ সম্মেলনের সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প দাবি করেন, শি জিনপিং পুরোপুরি নিরপেক্ষ ছিলেন এবং তিনি এই অবস্থানকে ইতিবাচকভাবে দেখেন। একইভাবে ভ্লাদিমির পুতিনও নিরপেক্ষ ছিলেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তবে ট্রাম্পের এই মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের কিছু মিত্র দেশের সঙ্গে তার সমালোচনার সুরের বিপরীতে এসেছে। তিনি বলেন, ইউরোপ ও এশিয়ার কয়েকটি দেশ সংঘাত চলাকালে পর্যাপ্ত সহায়তা দেয়নি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ যেমন— হরমুজ প্রণালি নিয়েও উত্তেজনা ছিল, যা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য বড় উদ্বেগ তৈরি করেছিল।

অন্যদিকে, চীন ও রাশিয়া উভয়ই ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখেছে এবং পশ্চিমা সামরিক পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে।

চীনের ওয়াশিংটন দূতাবাসের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, বেইজিংয়ের অবস্থান সবসময় একই রয়েছে—সংঘাত কমানো, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং কূটনৈতিক সমাধানকে সমর্থন করা।

চীনও বারবার বলেছে, তারা উত্তেজনা বাড়ানোর বিরোধী এবং সব ধরনের সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে।

তথ্যসূত্র: সামা টিভি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ