• আজ- বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা আশাশুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ: গ্রেফতার দেবহাটার শামীম হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: প্রধান আসামি আমিনীকে ছাড়াতে ‘উগ্রপন্থীরা’ তৎপর কালিগঞ্জে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক

খরা ও খাদ্যসংকটে উগান্ডায় অনাহারে ১৬ জনের মৃত্যু

রিপোর্টার: / ৯৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দীর্ঘস্থায়ী খরার কারণে ফসল নষ্ট হয়ে পূর্ব উগান্ডার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় কারামোজা অঞ্চলে অনাহারে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। খরার কারণে হাজার হাজার পরিবার খাদ্যসংকটে পড়েছে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি খাদ্য সহায়তা বিতরণ শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।

উগান্ডার প্রধানমন্ত্রী রবিনাহ নাব্বানজা বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় অতিরিক্ত খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে কার্যালয় সোমবার মন্ত্রিসভার অনুমোদন চাইবে। অনুমোদন মিললে আরও খাদ্যশস্য কেনা হবে এবং দুর্গত এলাকায় দ্রুত বিতরণ করা হবে।

স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে, যা সাধারণত বপন মৌসুমের শুরু, ওই অঞ্চলে খুবই সামান্য অথবা একেবারেই বৃষ্টি হয়নি। বৃষ্টির অভাবে ভুট্টা, জোয়ার ও সয়াবিনের বিস্তীর্ণ ক্ষেত শুকিয়ে গেছে। এতে ভালো ফলনের যে আশা ছিল, তা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। কৃষিজ উৎপাদন কমে যাওয়ায় খাদ্য সংকট আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কারামোজা অঞ্চলে বারবার দেখা দেওয়া খাদ্যসংকটের পেছনে জলবায়ু পরিবর্তন, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, বন উজাড়, অতিরিক্ত পশুচারণ এবং ফসলের রোগবালাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এসব কারণে স্থানীয় জনগোষ্ঠী প্রতিবছরই দুর্ভিক্ষ ও অপুষ্টির ঝুঁকিতে পড়ছে।

সরকার ইতোমধ্যে জরুরি খাদ্য সহায়তা বিতরণ শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞরা আবহাওয়ার আরও নির্ভুল পূর্বাভাস ব্যবস্থা, সেচব্যবস্থায় বিনিয়োগ এবং খরা-সহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবন ও চাষ সম্প্রসারণের ওপর জোর দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, উগান্ডার আধা-শুষ্ক উত্তর-পূর্বাঞ্চল অতীতেও একাধিকবার ভয়াবহ খাদ্যসংকটের মুখোমুখি হয়েছে। দেশটির সরকারি মানবাধিকার সংস্থার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২২ সালে উত্তর-পূর্ব উগান্ডায় অনাহার ও অনাহারজনিত রোগে ২ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

সে সময় তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি ওকেলো ওরিয়েম অনাহারে মৃত ব্যক্তিদের ‘বোকা’ বলে মন্তব্য করে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন। তিনি দাবি করেছিলেন, উগান্ডার উর্বর জমি ও অনুকূল আবহাওয়ায় মানুষের নিজেদের খাদ্য উৎপাদন করা সম্ভব। তার ওই মন্তব্য দেশজুড়ে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল।

সূত্র: বিবিসি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ