• আজ- বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
৪শ’ বছরের গুড়পুকুর মেলার কোটি টাকা লুটেপুটে খেল কারা? রাজস্ব থেকে বঞ্চিত সাতক্ষীরার কাটিয়া ‘তাকওয়া মাদ্রাসা’য় শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ দেবহাটার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কালিগঞ্জে বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক মিজ্ কাওছার আজিজ কালিগঞ্জে এসআইয়ের বিরুদ্ধে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে লাঞ্ছনার অভিযোগ দেবহাটায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগ এনে মব সৃষ্টি করে শামীম হত্যা: প্রধান আসামি গ্রেফতার তালায় মাছ চুরি সন্দেহে হাত-পা ভেঙে, কুপিয়ে ঘের ব্যবসায়ীকে হত্যা দেবহাটায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগ এনে মব সৃষ্টি করে শামীম হত্যাকান্ডের ঘটনায় মামলা: গ্রেফতার- ২ দেবহাটায় ফেসবুকে প্রকাশ্যে উস্কানি দিয়ে মব সৃষ্টি করে হত্যাকাণ্ড: নীরব ভূমিকায় পুলিশ সাতক্ষীরায় আলোচিত জাকারিয়া হত্যা: খুনিদের ফাঁসির দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

‘আমাদের পেটে লাথি, পিঠে ছুরি মারা হয়েছে’

রিপোর্টার: / ১৬৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক: দেশের নারী ক্রীড়ার উন্নয়নে বরাদ্দ ২০ কোটি টাকার অনুদান ফেরত নেওয়ার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থা। শনিবার ধানমন্ডি রিয়া গোপ মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংস্থার কর্মকর্তারা এটাকে নারী ক্রীড়ার অগ্রযাত্রায় বড় ধরনের বাধা হিসাবে উল্লেখ করেন। গত ৮ মে  মহিলা ক্রীড়া সংস্থার ২০ কোটি টাকা উধাও শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর টনক নড়ে সংস্থাটির।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) আর্থিক বিতর্কের রেশ না কাটতেই এবার ধানমন্ডি মহিলা ক্রীড়া সংস্থার নামে সংরক্ষিত ২০ কোটি টাকার দুটি এফডিআর (স্থায়ী আমানত) ঘিরে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। বাফুফের টাকা উধাও হয়েছিল তাদের তহবিল থেকে। আর মহিলা ক্রীড়া সংস্থার টাকা গায়েব হয়েছে সোনালী ব্যাংক থেকে। সংবাদ সম্মেলনে সংস্থার সভানেত্রী ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা

বলেন, ‘আমাদের পেটে লাথি মারা হয়েছে, পিঠে ছুরি আর বুকে আঘাত করা হয়েছে।’ তিনি অভিযোগ করেন, ‘আমাদেরকে না জানিয়ে অনুদানের অর্থ ফেরত নেওয়া হয়েছে, যা নারী ক্রীড়াবিদদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।’

সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়ে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে ২০২২ সালে ১০ কোটি টাকা এবং ২০২৪ সালে আরও ১০ কোটি টাকা অনুদান দেওয়া হয়। মোট ২০ কোটি টাকা সোনালী ব্যাংকের করপোরেট শাখায় এফডিআর হিসাবে রাখা হয়েছিল। অনুদানের শর্ত অনুযায়ী, এফডিআরের সুদের ৮০ শতাংশ নারী ক্রীড়ার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যয় করার কথা ছিল।

মহিলা ক্রীড়া সংস্থার দাবি, এফডিআর থেকে ইতোমধ্যে এক কোটি ১৭ লাখ টাকার বেশি লভ্যাংশ পাওয়া গেছে। সেই অর্থ নারী খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ, প্রতিযোগিতা আয়োজন ও অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় করা হয়েছে। তবে ২০২৫ সালের আগস্টের পর থেকে সুদ পাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। পরে ব্যাংকের পক্ষ থেকে মৌখিকভাবে জানানো হয়, অনুদানের মূল অর্থ ফেরত নেওয়া হয়েছে।

সভানেত্রীর অভিযোগ, অনুদান বাতিলের বিষয়ে লিখিত নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। অনুদানের মূল শর্তেও অর্থ ফেরত নেওয়ার কোনো বিধান ছিল না। এতে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। তার আশঙ্কা, এই সিদ্ধান্ত নারী ক্রীড়ায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থা এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ