বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নে আশা ব্রিক্সের লেলিয়ান শিখায় শত শত পরিবারের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে জমির মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্ব-চরমে। যে কোন মুহূর্তে জমির মালিক ও আশা ব্রিক্সের সাথে রক্তক্ষয়ি সংঘর্ষ হতে পারে বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন।
সরেজমিনে গেলে ভুক্তভোগী জমির মালিক রওশনারা, সালমা, ঝুমুর ও নাজমা সহ আরো অনেকে বলেন, ২০২১ সালে আমার পিতা সেকেন্দার আলী এক পুত্র ও ৫ কন্যা সন্তানকে ওয়ারিশ রেখে মৃত্যুবরণ করেন। বিগত ২১ সাল হতে অদ্যবদী বেনাডাঙ্গা মৌজায় আরএস ৫৫৬ নং খতিয়ানের হাল ১৮৭১,১৮৭২,১৯৪২,১৯৪৫ দাগে ১ একর ৩৪ শতক জমি রয়েছে। উক্ত জমি ভাটা মালিক আব্দুস সবুর গায়ের জোরে অবৈধভাবে পরিবেশ নষ্ট করে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বহাল তবিয়্যতে ভাটা পরিচালনা করে আসছে। এছাড়া ইটভাটার পরিবেশ অধিদপ্তরের বেআইনি ছাড়পত্র ব্যবহার করে অত্র এলাকার পরিবেশ দারুন ভাবে ব্যাহত করছে। ইট ভাটার চারিধারে ধানসহ বিভিন্ন ফলের গাছ ও বর্তমান মৌসুমে আমের মুকুল ভাটার আগুনে শুকিয়ে যাচ্ছে।
ইট ভাটার চতুর ধারে ধোয়ার কুন্ডলীতে শত শত মানুষের জীবনযাত্রা দারুন ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এমনকি স্কুলের কোমলমতি ছাত্রছাত্রীরা রাতে ইটভাটার ধোয়ায় পড়ালেখা করতে পারছেন না। সবমিলে এলাকাবাসী বলছে ওই অবৈধ ইট ভাটা দ্রুত অপসারণপূর্বক প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।
এ ব্যাপারে আশা ব্রিক্সের মালিক আব্দুস সবুরের সাথে কথা হলে তিনি বলেন , আমি অভিযোগকারীদের পিতার জীবদ্দশায় হতে অধ্যবধি ইট ভাটাটি পরিচালনা করে আসছি। তাদের পিতার মৃত্যু অন্তে তাদের আপন ভ্রাতা রবিউল ইসলাম ওই হাড়ির টাকা উত্তোলন করে আসছে। কে জমি পাবে আর পাবে না এটা তাদের পারিবারিক ব্যাপার।
তিনি আরো বলেন, প্রকৃত জমির মালিকের সাথে আমি কথা বলতে চাই কিন্তু কেউ তো আমার নিকট আসে না।