• আজ- বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা আশাশুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ: গ্রেফতার দেবহাটার শামীম হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: প্রধান আসামি আমিনীকে ছাড়াতে ‘উগ্রপন্থীরা’ তৎপর কালিগঞ্জে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক

কাশ্মীরে খাবার-জ্বালানি-ওষুধের প্রবেশ বন্ধ করে দিয়েছে পাকিস্তান

রিপোর্টার: / ৮৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীরে চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলন দমনে খাদ্য, জ্বালানি ও ওষুধসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ সীমিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বিভিন্ন প্রবেশপথে পণ্যবাহী ট্রাক আটকে দেওয়ায় বাজারে জরুরি পণ্যের সংকট দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপি এবং পাকিস্তানি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, আজাদ কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় মুদি দোকান, ওষুধের দোকান ও পেট্রোল পাম্পে প্রয়োজনীয় পণ্যের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। ফলে অনেক বাসিন্দাকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে পার্শ্ববর্তী প্রদেশ ও শহরে যেতে হচ্ছে।

পাকিস্তানের দৈনিক ডন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানী মুজাফফরাবাদের অনেক বাসিন্দা খাদ্য, ওষুধ ও জ্বালানি সংগ্রহের জন্য খাইবার পাখতুনখোয়ায় যাচ্ছেন। অন্যদিকে পুঞ্চ, রাওয়ালাকোট, বাঘ ও নীলম উপত্যকার মানুষ রাওয়ালপিন্ডি ও ইসলামাবাদ থেকে প্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ করছেন।

এদিকে অঞ্চলে সাংবাদিকদের প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ এবং ইন্টারনেট সেবা সীমিত করার অভিযোগও উঠেছে। স্থানীয়দের মতে, অধিকাংশ এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ অথবা অত্যন্ত ধীরগতির।

গত ৫ জুন থেকে বিধানসভায় সংরক্ষিত আসন ব্যবস্থা বাতিল এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন শুরু করে রাজনৈতিক জোট জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (জেএএকে)। আন্দোলনের অংশ হিসেবে ৯ জুন ডাকা হরতালের পর থেকেই বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ শুরু হয়।

এর আগে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা সংঘাতে অন্তত ২৪ জন নিহত এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ৫ শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে সংবাদমাধ্যম ও ইন্টারনেট সেবায় বিধিনিষেধ থাকায় সাম্প্রতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, ব্যাপক গ্রেফতার অভিযানের কারণে বিক্ষোভের তীব্রতা কিছুটা কমলেও পরিস্থিতি এখনো উত্তেজনাপূর্ণ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে আজাদ কাশ্মীরের প্রবেশপথে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যবাহী ট্রাক আটকে থাকতে দেখা গেছে।

পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সরকার রক্তপাত ছাড়াই আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে আনতে চায়। তার দাবি, জরুরি পণ্যের সরবরাহ ব্যাহত হলে আন্দোলনের গতি স্বাভাবিকভাবেই কমে আসবে।

অন্যদিকে জেএএকে নেতারা জানিয়েছেন, তারা আন্দোলন থেকে সরে আসবেন না। দাবি আদায়ে এক লাখ মানুষের অংশগ্রহণে রাওয়ালাকোট থেকে রাজধানী মুজাফফরাবাদ পর্যন্ত লংমার্চ কর্মসূচির প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ