• আজ- রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ০১:৪২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
কালিগঞ্জে সড়ক দখলে বালুর সিন্ডিকেট, ১০ চাকার ট্রাকে বেপরোয়া বালু বাণিজ্যে জনদুর্ভোগ চরমে: নীরব ভূমিকায় প্রশাসন ভাঙছে বাঁধ, বাড়ছে লবণাক্ততা, তবু বাজেটে কমছে জলবায়ুর হিস্যা: বিশেষ বরাদ্দের দাবী পরিবেশবাদীদের সত্য ও সাহসের আলোকযাত্রায় ১১ বছরে দক্ষিণের মশাল পলাশপোল সমাজ উন্নয়ন সংস্থার কমিটি: সভাপতি মুকুল, সম্পাদক জাহিদুল, সাংগঠনিক মাসুদ দেবহাটায় গ্রাম আদালত বিষয়ক জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন কর্মশালা পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে কালিগঞ্জের কুশুলিয়ায় ৬৪৯ পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ যশোরে কাভার্ডভ্যান-ইজিবাইক-ভ্যানের ত্রিমুখী সংঘর্ষ, নিহত ৪ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে লিগ্যাল নোটিশ হাম ও উপসর্গে মৃত্যু ছাড়াল ৫০০ মেসি বিশ্বকাপে খেলছেন, জানালেন কোচ

গরু কুরবানি ইসলামের অংশ নয়: কলকাতা হাইকোর্ট

রিপোর্টার: / ২৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ঈদুল আজহার আগে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গবাদিপশু কুরবানি নিয়ন্ত্রণের আদেশ বাতিলের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পল ও বিচারপতি পার্থ সারথী সেনের বেঞ্চ বলেছে, গরু কুরবানি ঈদুল আজহার অংশ নয় এবং ইসলামে এটি ধর্মীয়ভাবে বাধ্যতামূলকও নয়।

একাধিক জনস্বার্থ মামলায় আদালতকে রাজ্যের আদেশ বাতিল করতে এবং অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিতে বলা হয়েছিল। আদালত সেই আবেদনে রাজি হয়নি।

তবে আদালত রাজ্যকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটি বিষয় বিবেচনা করতে বলেছে। সেটি হলো, ১৯৫০ সালের পশ্চিমবঙ্গ পশু কুরবানি নিয়ন্ত্রণ আইনের ১২ নম্বর ধারায় ধর্মীয়, ওষুধ বা গবেষণার উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধ পশু কুরবানিয়ের ছাড় দেওয়ার ক্ষমতা সরকারের আছে কি না। ২৭ ও ২৮ মে ঈদ হওয়ায় সময় কম থাকায় আদালত দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে বলেছে।

এছাড়া আদালত রাজ্যকে বলেছে, খোলা জায়গায় পশু কুরবানি করা যাবে না এমন একটি শর্ত যোগ করার বিষয়টিও ভেবে দেখতে।

রাজ্য সরকার গত ১৩ মে যে আদেশ দিয়েছিল তাতে ১৯৫০ সালের আইন ও ২০১৮ সালের হাইকোর্টের একটি রায়ের কথা উল্লেখ আছে। দুটিতেই বলা হয়েছে, ‘কুরবানিয়ের উপযুক্ত’ সনদ না পেলে গরু ও মহিষ কুরবানি করা যাবে না।

আইনের সংবিধানিকতা নিয়ে চ্যালেঞ্জ করা মামলাগুলোতে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য যুক্তি দেন, এই আইন কলকাতা ও অন্যান্য পৌরসভার জন্য তৈরি হয়েছিল, পুরো রাজ্যের জন্য নয়। তবে আদালত সেই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে রাজি হয়নি।

কলকাতা পৌরসংস্থার আইনজীবী নীলোৎপল চ্যাটার্জি জানান, তাদের কাছে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোসহ জবাইখানা আছে এবং সনদ দেওয়ার জন্য নির্ধারিত কর্মকর্তাও আছেন। আদালত বলেছে, সনদ দেওয়ার সঠিক ব্যবস্থা আছে কি না তা দেখার দায়িত্ব রাজ্যের। কোনো ঘাটতি পাওয়া গেলে তা দ্রুত ঠিক করতে হবে বলেও আদালত আশা প্রকাশ করেছে।

সূত্র- টাইমস অফ ইন্ডিয়া


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ