• আজ- বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা আশাশুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ: গ্রেফতার দেবহাটার শামীম হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: প্রধান আসামি আমিনীকে ছাড়াতে ‘উগ্রপন্থীরা’ তৎপর কালিগঞ্জে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক

গুয়াতেমালা কারাগারে বিশেষ সুবিধার দাবিতে গ্যাং সদস্যদের দাঙ্গা, ৪৬ কর্মীকে জিম্মি

রিপোর্টার: / ৯৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গুয়াতেমালার তিনটি পৃথক ডিটেনশন সেন্টারে দুর্ধর্ষ গ্যাং সদস্যদের দাঙ্গায় অন্তত ৪৬ জন কর্মীকে জিম্মি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতির পেছনে ‘ব্যারিও ১৮’ নামক অপরাধী চক্রের সদস্যরা জড়িত বলে ধারণা করা হচ্ছে। মূলত তাদের এক নেতার জন্য উন্নত সুযোগ-সুবিধা সংবলিত অন্য কারাগারে স্থানান্তরের দাবি এবং কারা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে গ্যাং লিডারদের বিশেষ সুবিধা বাতিলের প্রতিক্রিয়ায় এই অস্থিরতা শুরু হয়। খবর আল জাজিরার।

দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো আন্তোনিও ভিলেদা এক সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করেছেন যে জিম্মিদের মধ্যে বেশিরভাগই কারারক্ষী এবং তাদের মধ্যে একজন মনোবিজ্ঞানীও রয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত জিম্মিদের কেউ নিহত বা আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কড়া ভাষায় জানিয়েছেন, সরকার কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে আপস করবে না এবং এই ধরণের ব্ল্যাকমেইলের কাছে নতি স্বীকার করে গ্যাং লিডারদের বিশেষ সুবিধা ফিরিয়ে দেওয়া হবে না।

বর্তমানে দক্ষিণ গুয়াতেমালার এসকুইন্টলা এলাকার রেনোভেশন-১ নামক সর্বোচ্চ নিরাপত্তা কারাগারে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সেখানে পুলিশ ও সেনাবাহিনী পুরো কারাগার এলাকা ঘিরে রেখেছে এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় অ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিস প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কারাগারের ভেতর থেকে মুখোশধারী কয়েদিদের পাহারাদার টাওয়ারে অবস্থান করতে দেখা গেছে। তাদের দাবি, বর্তমান কারাগারে তারা নিরাপদ নন এবং কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনার কারণে তারা অন্যত্র বদলি হতে চান।

গুয়াতেমালার কারাগারগুলোতে গ্যাং সংস্কৃতির প্রভাব দীর্ঘদিনের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত অক্টোবরে কয়েক দিনের ব্যবধানে ২০ জন গ্যাং সদস্য পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় দেশটির তিনজন শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল।

প্রেসিডেন্ট বার্নার্ডো আরেভালো সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, কারাগারের ভেতর থেকে বাইরে অপরাধ জগৎ নিয়ন্ত্রণের যে শিকড় রয়েছে, তা উপড়ে ফেলতে তারা কাজ করছেন। কারাগারের ওপর সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা এখন তাদের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ