• আজ- বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা আশাশুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ: গ্রেফতার দেবহাটার শামীম হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: প্রধান আসামি আমিনীকে ছাড়াতে ‘উগ্রপন্থীরা’ তৎপর কালিগঞ্জে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক

বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ও মদ্যপানের দায়ে যুগলকে ১৪০ বার বেত্রাঘাত

রিপোর্টার: / ৯৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশে শরিয়া আইন লঙ্ঘনের দায়ে দুই তরুণ-তরুণীকে প্রকাশ্যে ১৪০ বার বেত্রাঘাত বা দোররা মারা হয়েছে। বিবাহবহির্ভূত শারীরিক সম্পর্ক এবং মদ্যপানের অপরাধে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) তাদের এই কঠোর শাস্তি প্রদান করা হয়। খবর বিবিসির।

শাস্তির একপর্যায়ে ২১ বছর বয়সি ওই তরুণী জ্ঞান হারিয়ে ফেললে উপস্থিত কর্মকর্তাদের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। আচেহ প্রদেশের ইতিহাসে এটিই এক সেশনে সর্বোচ্চ সংখ্যক বেত্রাঘাতের রেকর্ড বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী বেত্রাঘাত চলাকালীন যন্ত্রণায় ওই তরুণী অঝোরে কাঁদছিলেন। তিনজন নারী কর্মকর্তা পর্যায়ক্রমে তাকে বেত দিয়ে আঘাত করেন। একপর্যায়ে তিনি মঞ্চেই লুটিয়ে পড়লে নারী পুলিশ সদস্যরা তাকে ধরাধরি করে অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে যান। আচেহ-র শারিয়া ফৌজদারি বিধি অনুযায়ী, বিবাহবহির্ভূত শারীরিক সম্পর্কের জন্য ১০০টি এবং মদ্যপানের জন্য ৪০টি বেত্রাঘাতের বিধান রয়েছে।

একই দিনে ওই যুগলের পাশাপাশি আরও চারজনকে বিভিন্ন অপরাধে সাজা দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে আচেহ-র নিজস্ব ইসলামিক পুলিশ বাহিনীর একজন সদস্যও ছিলেন। ওই পুলিশ সদস্যকে এক নারীর সঙ্গে নির্জন স্থানে আপত্তিকর অবস্থায় পাওয়ায় তাকে ২৩ বার বেত্রাঘাত করা হয়েছে। ওই বাহিনীর প্রধান মুহাম্মদ রিজাল নিশ্চিত করেছেন যে সাজাপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যকে অচিরেই তার চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে।

ইন্দোনেশিয়া একটি মুসলিম প্রধান দেশ হলেও আচেহ একমাত্র প্রদেশ যেখানে কঠোরভাবে শারিয়া আইন কার্যকর রয়েছে। তবে এই ধরনের প্রকাশ্যে বেত্রাঘাতের প্রথাকে দীর্ঘকাল ধরে ‘নিষ্ঠুর এবং অমানবিক’ হিসেবে সমালোচনা করে আসছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা।

মানবাধিকার সংগঠন ‘কনট্রাস’-এর আচেহ সমন্বয়কারী আজহারুল হুসনা জানান, এই শাস্তির প্রক্রিয়াটি যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রিত নয় এবং সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের পরবর্তী পুনর্বাসনের জন্য বিদ্যমান নিয়মগুলোর উন্নয়ন প্রয়োজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ