• আজ- রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৫:০২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
দেবহাটায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক-ট্যাংকলরী-ট্রাক্টর ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের দুই শীর্ষ নেতাকে বহিষ্কার কালিগঞ্জে শিশু নির্যাতন চেষ্টার অভিযোগে মামলা: অভিযুক্ত আটক বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কালিগঞ্জের এক ব্যক্তির মৃত্যু আশাশুনির মহেশ্বরকাটি মৎস্য সেটে ব্যবসায়ীর টাকা লোপাট দেবহাটা ও আশাশুনির শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন সাতক্ষীরার জাহানাবাজে ঘোড়দৌড় দেখতে গিয়ে মোটরসাইকেল চুরি কালিগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল প্রশাসনের কঠোর ভূমিকা দাবি ট্রান্সফরমার চুরির ১৫ মাস পরও বিদ্যুৎহীন স্কুল দাবদাহে কষ্টে শিক্ষার্থীরা: জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উত্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী

ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনি

রিপোর্টার: / ৮৯ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬

আশাশুনি (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: দেশের ভয়াবহ ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল আশাশুনি উপজেলা – ভূ-গর্ভস্ত থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে রয়েছে। প্রশাসনের সাথে লুকোচুরি ও ম্যানেজ করে রমরমা ব্যবসা করে যাচ্ছে অবৈধভাবে ভূ-গর্ভস্ত থেকে ভালু উত্তোলন করা ব্যবসায়ীরা।
পরিবেশকে ঝুঁকিতে ফেলে খাল, ঘের, পুকুর থেকে অবৈধভাবে বালি তোলা হচ্ছে উৎসবমুখর পরিবেশে। এতে ভাঙন ও ধ্বসের আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।
আশাশুনি উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নের মধ্যে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে রয়েছে একাধিকবার বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়া প্রতাপনগর ,আনুলিয়া ও খাজরা ইউনিয়ন। যেন প্রতিটা ইউনিয়নে বালু উত্তোলনের মৌসুম চলছে। ভাঙ্গন কবলিত এলাকা সহ বিভিন্ন স্থান থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। অবৈধভাবে ঘনবসতি এলাকা থেকে বালু উত্তোলন করায় স্থানীয়দের মধ্যে চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভাঙ্গন কবলিত এলাকা থেকে বালু উত্তোলন করায় বর্ষা মৌসুমে স্থানীয়রা তাদের ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন।
ক্রমান্বয়ে শ্রীউলা, শোভনালী ও কুল্যা ইউনিয়ন রয়েছে দিত্বীয় এবং বুধহাটা ইউনিয়ন রয়েছে তৃতীয় স্থানে। এর নেপথ্যে রয়েছে কিছু চেয়ারম্যান ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
তাদের শেল্টারে ব্যবসায়ীরা একের পর এক করে যাচ্ছে এসব অন্যায়। হুমকির মুখে এগিয়ে নিচ্ছে আশাশুনি উপজেলাকে। ভূগর্ভের বালু উত্তোলন রোধে এনজিও লিডার্স সহ উপজেলাবাসী একাধিকবার মানববন্ধন, সংবাদ সম্মেলন ও বিভিন্ন দপ্তরে স্মারক লিপি প্রদান করা হলেও বন্ধ হয়নি অবৈধভাবে বালু উত্তোলন।
এখন বালুখোর অবৈধ বালু উত্তোলন করার কারনে হুমকির মধ্যে পড়েছে, এ উপজেলার অধিকাংশ জনপদ কোন না কোন নদীর চরের উপরে অবস্থিত। তাই এভাবে যততত্র বালু উত্তোলন করলে ও যে কোন বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সরকারী ভাবে সম্পূর্ণ রুপে বলা আছে নির্দিষ্ট বালু মহল ছাড়া অন্য কোনো জায়গা থেকে বালু উত্তোলন করা যাবে না। কিন্তু এ নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে বহাল তবিয়তে যে কোন জায়গা থেকে বালু উত্তোলন করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি মহল।
এবিষয়ে সহকারী কমিশনার ভূমি বিজয় কুমার জোয়ারদারের ফোনে একাধিকবার কল করলে তিনি ছুটিতে থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ