• আজ- বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা আশাশুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ: গ্রেফতার দেবহাটার শামীম হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: প্রধান আসামি আমিনীকে ছাড়াতে ‘উগ্রপন্থীরা’ তৎপর কালিগঞ্জে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক

যুক্তরাষ্ট্রে নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর রুমমেট গ্রেফতার

রিপোর্টার: / ৭৯ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) নিখোঁজ বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল লিমনের মরদেহ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে তার রুমমেটকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ অফিস এই তথ্য জানিয়েছে।

লিমনের মরদেহ হাওয়ার্ড ফ্র্যাংকল্যান্ড সেতু থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ অন্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টি এখনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

লিমন ভূগোল, পরিবেশ বিজ্ঞান ও নীতি বিভাগে পিএইচডি করছিলেন। বৃষ্টি একই বিশ্ববিদ্যালয়ে রাসায়নিক প্রকৌশলে পিএইচডি করছেন। দুজনের বয়স ২৭ বছর। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, তাদের সর্বশেষ ১৬ এপ্রিল দেখা গিয়েছিল।

সিএনএনের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকালে লিমনের রুমমেট ২৬ বছর বয়সী হিশাম আবুগারবিয়েহকে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনার দিন তার বাসায় পারিবারিক সহিংসতার খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে যায়। চিফ ডেপুটি জোসেফ মাউরার এ তথ্য জানান।

ইউএসএফের সাবেক শিক্ষার্থী আবুগারবিয়েহের বিরুদ্ধে মারধর, জোরপূর্বক আটক রাখা, প্রমাণ নষ্ট করা, মৃত্যুর তথ্য না জানানো এবং মৃতদেহ অবৈধভাবে সরিয়ে ফেলার অভিযোগ আনা হয়েছে।

১৭ এপ্রিল একজন পারিবারিক বন্ধু লিমন ও বৃষ্টিকে নিখোঁজ হিসেবে রিপোর্ট করেন। তার আগের দিন তাদের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের আশপাশে দেখা গিয়েছিল।

গ্রেফতারের আগে আবুগারবিয়েহকে তদন্তকারীরা অন্তত দুইবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন। প্রথমে তিনি সহযোগিতা করলেও বৃহস্পতিবার আরও প্রশ্ন করতে গেলে সাড়া দেওয়া বন্ধ করে দেন। শুক্রবার তদন্তকারীরা ‘সন্দেহভাজনকে এই মামলা এবং লিমনের মরদেহের সঙ্গে যুক্ত করতে সক্ষম হন’, বলেন চিফ ডেপুটি মাউরার।

গ্রেফতারের সময় আবুগারবিয়েহ একটি বাড়ির ভেতরে নিজেকে আটকে রাখেন। এরপর সোয়াট দল ও সংকট মধ্যস্থতাকারীরা ঘটনাস্থলে যান। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, বাড়ির বাইরে একটি সাঁজোয়া যান ছিল। পরে তিনি আত্মসমর্পণ করেন।

লিমনের ভাই জুবায়ের আহমেদ সিএনএনকে বলেন, ‘এটা আমাদের জন্য অনেক কষ্টের। আমরা অসাড় হয়ে যাচ্ছি। যেকোনো কিছু হয়ে যেতে পারে। আমরা শুধু সত্য জানতে চাই। দুইজন শিক্ষার্থী হঠাৎ করে উধাও হয়ে যায়, এটা সম্ভব না।’

সিএনএন জানিয়েছে, লিমন তার পরিবারকে বৃষ্টির কথা বলেছিলেন এবং বিয়ের কথাও ভাবছিলেন।

বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস উইং বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। দূতাবাস জানিয়েছে, তারা মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ও এফবিআইয়ের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। মিয়ামিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেটও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় তদন্তকারীদের সঙ্গে সমন্বয় করছে এবং একজন প্রতিনিধি ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেছেন।

প্রেস মিনিস্টার গোলাম মর্তুজা ফেসবুকে লিখেছেন, ঘটনাটি ‘অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।’ বৃষ্টির এখনো কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ