• আজ- বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা আশাশুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ: গ্রেফতার দেবহাটার শামীম হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: প্রধান আসামি আমিনীকে ছাড়াতে ‘উগ্রপন্থীরা’ তৎপর কালিগঞ্জে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক

হরমুজ এড়াতে পাইপলাইন নির্মাণ করছে আমিরাত

রিপোর্টার: / ৬৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ২০২৭ সালের মধ্যে নতুন একটি পাইপলাইন চালু করার ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এর মাধ্যমে তারা হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে তেল রপ্তানির সক্ষমতা দ্বিগুণ করবে। খবর মিডল ইস্ট আইয়ের

শুক্রবার (১৫ মে) দেশটির রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আবুধাবি ন্যাশনাল ওয়েল কোম্পানি (অ্যাডনক) জানায়, ওমান উপসাগরের ফুজাইরাহ বন্দরের দিকে যাওয়া নতুন পাইপলাইনের নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

অ্যাডনকের তথ্যমতে, আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ জায়েদ এক বৈঠকে প্রকল্পটির ঘোষণা দেন। কোম্পানি জানিয়েছে, পাইপলাইনটির নির্মাণ ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে।

বর্তমানে আমিরাতের হাবশান-ফুজাইরাহ পাইপলাইনের দৈনিক সক্ষমতা ১৮ লাখ ব্যারেল। নতুন পাইপলাইন যুক্ত হলে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার না করেই দেশটির তেল রপ্তানি সক্ষমতা দ্বিগুণ হবে।

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধ শুরুর আগে আমিরাত প্রতিদিন প্রায় ৩৪ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করত। তবে ইরান হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর দেশটির রপ্তানি প্রায় ৬০ শতাংশ কমে যায়।

আমিরাত জানিয়েছে, নতুন অবকাঠামো চালু হলে যুদ্ধ-পূর্ব প্রায় পুরো রপ্তানি সক্ষমতা হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে বজায় রাখা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে ২০২৭ সালের মধ্যে দৈনিক প্রায় ৫০ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানির লক্ষ্যও নির্ধারণ করেছে দেশটি।

এই মাসেই সৌদি নেতৃত্বাধীন জ্বালানি জোট ওপেকথেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয় আমিরাত। আবুধাবির দাবি, এর ফলে তারা উৎপাদন ও রপ্তানি নীতিতে আরও স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

তবে বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে আমিরাতের জ্বালানি অবকাঠামো এখনও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। যুদ্ধ চলাকালে হাবশানের একটি গ্যাস স্থাপনা ও ফুজাইরাহ বন্দরে হামলার ঘটনাও ঘটেছে।

হরমুজ প্রণালির বিকল্প পথ তৈরিতে সৌদি আরব কাজ করছে। দেশটির ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন বর্তমানে লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৫০ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানির সুযোগ দিচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ