• আজ- বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা আশাশুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ: গ্রেফতার দেবহাটার শামীম হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: প্রধান আসামি আমিনীকে ছাড়াতে ‘উগ্রপন্থীরা’ তৎপর কালিগঞ্জে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক

৯ দিন পর নেপালের টানেল থেকে দু’জনকে জীবিত উদ্ধার

রিপোর্টার: / ১৫৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার নয় দিন পর নেপালের ত্রিশূলী-৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেল থেকে দু’জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ওই টানেলে এখনো আরও কয়েকজন আটকা পড়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। খবর বিবিসির

উদ্ধারস্থল থেকে নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের (এনইএ) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সুরেশ রাউত বিবিসিকে জানান, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের একজনকে অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে।  তার নাম জানিয়েছে সঞ্জয় শাহ।

সঞ্জয় শাহই ত্রিশূলী-৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেল থেকে উদ্ধার হওয়া প্রথম ব্যক্তি। তিনি নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের একজন মেকানিক্যাল ফোরম্যান হিসেবে কর্মরত।

তার সহকর্মী সুরেশ চৌধুরী বিবিসিকে বলেন, ‘আমি ভীষণ খুশি। এই খবরের অপেক্ষায় ছিলাম। এতে আশা তৈরি হয়েছে যে অন্যদেরও জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হবে।’

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, টানেল থেকে জীবিত উদ্ধার হওয়া দ্বিতীয় ব্যক্তির নাম কবির মহার্জন।

এদিকে, প্রথম উদ্ধার হওয়া সঞ্জয় শাহকে হেলিকপ্টারে করে রাজধানী কাঠমান্ডুর উত্তর-পশ্চিমে বাত্তার এলাকায় নেওয়া হয়েছে। সেখানে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

অন্যদিকে, কবির মহার্জনের স্ত্রীও স্বামীর কাছে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাকে কাঠমান্ডুর ছাউনিতে অবস্থিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

ভয়াবহ বন্যার নয় দিন পর টানেলের ভেতর থেকে দু’জনকে জীবিত উদ্ধারের ঘটনায় উদ্ধারকারী দল ও স্বজনদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। টানেলের ভেতরে আরও কেউ জীবিত আছেন কি না, তা জানতে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে নেপালি সেনাবাহিনী ও সংশ্লিষ্ট উদ্ধারকারী দল।

উল্লেখ্য, নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২৫২ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনও প্রায় ৪ হাজার ২১৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

অন্যদিকে, তিব্বতে আরও ৫৪১ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। ফলে নেপাল ও তিব্বত মিলিয়ে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৭৫৭ জনে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ