• আজ- শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:১৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
আশাশুনির মহেশ্বরকাটি মৎস্য সেটে ব্যবসায়ীর টাকা লোপাট দেবহাটা ও আশাশুনির শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন সাতক্ষীরার জাহানাবাজে ঘোড়দৌড় দেখতে গিয়ে মোটরসাইকেল চুরি কালিগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল প্রশাসনের কঠোর ভূমিকা দাবি ট্রান্সফরমার চুরির ১৫ মাস পরও বিদ্যুৎহীন স্কুল দাবদাহে কষ্টে শিক্ষার্থীরা: জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উত্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে আজ, উদ্বোধনী ম্যাচে লড়বে মেক্সিকো-দ. আফ্রিকা ওমান উপসাগরে তেলবাহী জাহাজে হামলা, মার্কিন কূটনীতিককে তলব ভারতের হরমুজে দুই জাহাজে ইরানের হামলা সুন্দরবনের উপকূলে নদীপথে বিএসএফ’র পুশইন চেষ্টা: রুখে দিল বিজিবি

ঈদের ছুটিতেও মায়েরা পেয়েছেন ভরসা: সাতক্ষীরা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে বইছে খুশির জোয়ার

রিপোর্টার: / ৫৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি: চারিদিকে ঈদের ছুটির আমেজ। মানুষ যখন স্বজনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে ব্যস্ত, তখন সাতক্ষীরা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের চিত্রটি ছিল একটু ভিন্ন। সেখানে চিকিৎসক আর সেবিকারা নিয়োজিত ছিলেন নতুন প্রাণের আগমণকে নিরাপদ করতে। পবিত্র ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতেও এই সেবা কেন্দ্রে এক মুহূর্তের জন্য সেবা বন্ধ হয়নি।

​শনিবার (২১ মার্চ) ​ঈদের দিন সকাল ১১টা ৪০ মিনিট। সদর উপজেলার আগরদাঁড়ী ইউনিয়নের খাদিজা খাতুন ও রেজওয়ান কবির দম্পতির জীবনে এক বিশেষ মুহূর্ত হয়ে রইল এবারের ঈদ। সাতক্ষীরা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রেই তাদের কোল জুড়ে আসে এক ফুটফুটে পুত্র সন্তান। একদিকে ঈদের আনন্দ, অন্যদিকে সুস্থ সন্তানের আগমণ—পরিবারটির কাছে এটি ছিল যেন পরম আশীর্বাদ। স্বাভাবিক প্রসবের (নরমাল ডেলিভারি) মাধ্যমে মা ও শিশু দুজনেই সুস্থ থাকায় তারা কেন্দ্রের চিকিৎসকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

​সাতক্ষীরা জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক রওশন আরা জামানের সরাসরি নির্দেশনায় ছুটির দিনগুলোতেও এখানে আউটডোর সেবা চালু ছিল। সাতক্ষীরা শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মায়েরা পেয়েছেন প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও চিকিৎসা।

​কেন্দ্রের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মেডিকেল অফিসার ডাঃ পলাশ দত্ত জানান, ​”আমাদের লক্ষ্য ছিল ছুটির সময়েও যেন কোনো মা সেবা থেকে বঞ্চিত না হন। চলতি মাসে এ পর্যন্ত ১১টি নরমাল ডেলিভারি সম্পন্ন হয়েছে। ঈদের দিনেও আমরা সেবা দিতে পেরে এবং একটি পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে পেরে তৃপ্ত।”

​এক নজরে সেবার চিত্র তুলে ধরে ডা. পলাশ দত্ত বলেন, ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটি থাকলেও মা ও শিশু স্বাস্থ্য এবং স্বাভাবিক প্রসব সেবা অব্যাহত রয়েছে। চলতি মাসে ১১টি নরমাল ডেলিভারি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ঈদের দিন স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে নতুন প্রাণের আগমনে ঈদ আনন্দ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ​সরকারি এই সেবা কেন্দ্রটি সাতক্ষীরার সাধারণ মানুষের কাছে নিরাপদ মাতৃত্বের এক অনন্য ঠিকানায় পরিণত হয়েছে বলে জানান ডা. পলাশ দত্ত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ