• আজ- শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
সাংবাদিককে বাড়ি থেকে তুলে আনার হুমকি: শ্যামনগর ইউএনওর পক্ষে দালালি বিবৃতি নির্বাচিত হলে মাদক নির্মূলে প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে সুধিজনদের সমন্বয়ে মাদক বিরোধী কমিটি গঠন করবো: সাংবাদিক জাহিদ হোসাইন সাতক্ষীরায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আইনজীবীর বাগ্‌বিতণ্ডা, ভিডিও ভাইরাল সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা

সংবাদ প্রকাশের জের: সাতক্ষীরায় সাতনদী সম্পাদকের ওপর হামলা

রিপোর্টার: / ৩৪৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার দাঁতভাঙ্গা কলেজের অনিয়ম দূর্নীতি নিয়ে খবর প্রকাশের জেরে সাতনদী সম্পাদকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।

 

রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর দুইটার দিকে হাফিজের নেতৃত্বে পৌরসভা ভবনের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সাতক্ষীরা সদর থানায় এজাহার জমা দেয়া হয়েছে।

 

এজাহার সূত্রে জানা যায়, বিগত ২৪ ও ২৫ সালে দাঁতভাঙ্গা কলেজের অনিয়ম দূর্নীতি নিয়ে সিরিজ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয় সাতক্ষীরা থেকে প্রকাশিত দৈনিক সাতনদী পত্রিকায়। তৎকালীন অধ্যক্ষকে সরিয়ে কলেজটিতে অধ্যক্ষ হতে চান শিক্ষক নাসিরউদ্দীন এমন একাধিক অনুসন্ধানী খবর প্রকাশ করা হয়। বিগত আওয়ামীলীগের সংসদ সদস্য বীর মোস্তাক আহমেদ রবির সাথে যোগসাজস করে শিক্ষক নাসির উদ্দীন কলেজটিতে শিক্ষক হিসেবে এমপিও ভূক্ত হন। এর পূর্বে কলেজে অনিয়মিত ছিলেন শিক্ষক নাসির উদ্দীন। এমন সব খবর দৈনিক সাতনদীতে প্রকাশিত হয়। এতে ক্ষুদ্ধ হন শিক্ষক নাসির উদ্দীন। পরবর্তীতে তৎকালীন অধ্যক্ষকে একাধিক সাজানো হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠানোর নেপথ্য নায়ক ছিল নাসির উদ্দীন্য।

 

নাসির উদ্দীন এখন এই দাতভাঙ্গা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। শিক্ষক নাসির উদ্দীনের বিরুদ্ধে খবর প্রকাশের জেরে প্রকাশ্য হুককি দিতে থাকে হাফিজ। হাফিজের বাড়ী শ্যামনগর থানার গাবুরা ইউনিয়নের চকবারা গ্রামে। তার পিতার নাম খবির উদ্দীন। সে বর্তমানে সদর উপজেলার খড়িবিলা অঞ্চলে বসবাস করে।

 

রবিবার দুপুর দুইটার সময় হাবিবুর রহমান পৌরসভায় প্রবেশকালে হাফিজসহ অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন তার গতিরোধ করে কৈফিয়ত চায় তার জামাইয়ের বিরুদ্ধে সাতনদীতে কেন খবর ছেপেছিলেন। পরে পৌরভবনে প্রবেশ করে ১১৪ নং কক্ষে অবস্থিত কর্মচারীদের সাথে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন নিয়ে কথা বলতে থাকেন।

 

এক পর্যায়ে ঠিক দুইটার দিকে আচমকা ১১৪ নম্বর রুমে অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন সঙ্গী প্রবেশ করে হাবিবুর রহমানকে বলতে থাকে, আমার বিরুদ্ধে কি নালিশ করছিস? এসব বলতে বলতে হাফিজ হাবিবুর রহমানের চোখ মুখে কিল ঘুষি মেরে রক্তাক্ত জখম করে। হাফিজ হাবিবুর রহমানকে মাটিতে ফেলে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালায়। হাবিবুর রহমান মুখে, ঠোটে, বুকে, ঘাড়ে ও গলায় রক্তাক্ত জখম হয়। হামলার শিকার হাবিবুর রহমান তাৎক্ষনিকভাবে ঘটনাস্থল থেকে ৯৯৯ লাইনে ফোন দিলে হামলাকারীরা সটকে পড়ে।

 

সদর থানা পুলিশ দু’দফায় ফোন করে হাবিবুর রহমানের খোজ খবর নেন। পরে তিনি সাতক্ষীরা সদর
হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। ওইদিন সন্ধ্যারাতে তিনি সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি তদন্তের নিকট এজাহার জমা দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ