• আজ- শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
সাংবাদিককে বাড়ি থেকে তুলে আনার হুমকি: শ্যামনগর ইউএনওর পক্ষে দালালি বিবৃতি নির্বাচিত হলে মাদক নির্মূলে প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে সুধিজনদের সমন্বয়ে মাদক বিরোধী কমিটি গঠন করবো: সাংবাদিক জাহিদ হোসাইন সাতক্ষীরায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আইনজীবীর বাগ্‌বিতণ্ডা, ভিডিও ভাইরাল সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা

সাতক্ষীরা লিগ্যাল এইড: আইনজীবীর বিল ছাড়ে পেশকারের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগ

রিপোর্টার: / ১৫১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির প্যানেল আইনজীবীর বিল ছাড় করানোর জন্য ঘুষ দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানিয়ে কমিটির চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন নজরুল ইসলাম (জীবন) নামে ওই আইনজীবী।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দেওয়া লিখিত অভিযোগে নজরুল ইসলাম উল্লেখ করেন, সাতক্ষীরা লিগ্যাল এইড কমিটির প্যানেল আইনজীবী হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে মামলা পরিচালনা করছেন।

তার পরিচালিত নাঃ শিঃ ২০৯/২১ নম্বর মামলাটি ২০২৫ সালের ১৬ জুন নিষ্পত্তি হয়। এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর তিনি ওই মামলার এক হাজার ৬০০ টাকার বিল পেশকার শামীম আহমেদের কাছে জমা দেন।

অভিযোগে বলা হয়, বিল জমা দেওয়ার পর পেশকার তাকে জানান; মামলার নথি পাওয়া যাচ্ছে না। নথি বের করার জন্য বাবলুকে দিয়ে কাজ করাতে হবে। এ সময় বাবলু তার কাছে ২০০ টাকা দাবি করেন। পেশকার শামীম আহমেদ তার কাছে ৫০০ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

আইনজীবীর অভিযোগ, বিল পাওয়ার পর টাকা দেওয়ার কথা বললেও তাকে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে বিভিন্নভাবে ঘোরানো হয়। পরে তাকে ফোন দিতে বলা হলে তিনি পেশকারের দেওয়া মোবাইল ফোন নম্বরে ফোন করেন। এরপর তার সহকারীকে পাঠানো হলেও বিভিন্ন সময়ে তাকে আদালতে যেতে বলা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর তিনি পেশকারের কাছে গিয়ে বিলের বিষয়ে জানতে চাইলে নথিতে নিয়োগপত্র বের করতে বলা হয়। তিনি তা দেখানোর পর মামলায় কী কাজ করেছেন, তা দেখাতে বলা হয়। পর দিনও তাকে বিভিন্ন কাগজের ফটোকপি করতে বলা হয়। এসব কারণে মামলাটি নিষ্পত্তির এক বছরের বেশি সময় পরও তিনি বিল পাননি বলে অভিযোগ করেন।

আইনজীবী নজরুল ইসলাম বলেন, সুষ্ঠু তদন্ত করে পেশকার শামীম আহমেদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

অভিযোগের বিষয়ে পেশকার শামীম আহমেদ জানান, আইনজীবীর বিলের কাগজপত্রে ভুল ছিল। তিনি বিলটি নিয়ে জেলা জজের কাছে গিয়েছেন এবং পরে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিলটি নিয়ে এসেছেন।

শামীম আহমেদ বলেন, টাকা চাইনি। লিগ্যাল এইডের বিল আছে, বিল নিয়ে এসেছি। আবার টাকা চাইব কেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ