• আজ- বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
৪শ’ বছরের গুড়পুকুর মেলার কোটি টাকা লুটেপুটে খেল কারা? রাজস্ব থেকে বঞ্চিত সাতক্ষীরার কাটিয়া ‘তাকওয়া মাদ্রাসা’য় শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ দেবহাটার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কালিগঞ্জে বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক মিজ্ কাওছার আজিজ কালিগঞ্জে এসআইয়ের বিরুদ্ধে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে লাঞ্ছনার অভিযোগ দেবহাটায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগ এনে মব সৃষ্টি করে শামীম হত্যা: প্রধান আসামি গ্রেফতার তালায় মাছ চুরি সন্দেহে হাত-পা ভেঙে, কুপিয়ে ঘের ব্যবসায়ীকে হত্যা দেবহাটায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগ এনে মব সৃষ্টি করে শামীম হত্যাকান্ডের ঘটনায় মামলা: গ্রেফতার- ২ দেবহাটায় ফেসবুকে প্রকাশ্যে উস্কানি দিয়ে মব সৃষ্টি করে হত্যাকাণ্ড: নীরব ভূমিকায় পুলিশ সাতক্ষীরায় আলোচিত জাকারিয়া হত্যা: খুনিদের ফাঁসির দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

স্বপ্ন যেখানে হার মানেনি: দারিদ্র্যকে হারিয়ে বিশ্বমঞ্চে ভিনি

রিপোর্টার: / ৬৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক: আলো নয়, অন্ধকার থেকে যাদের জীবন শুরু হয়েছিল, তাদেরই একজন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

২০০০ সালের ১২ জুলাই, ব্রাজিলের সাও গনসালো শহরের সাধারণ এক পরিবারে জন্ম। সামর্থ্য সীমিত, স্বপ্ন ছিল অসীম। শৈশবে ভিনির প্রথম প্রেম ছিল ফুটসাল। ছোট কোর্টে, দ্রুত পাস আর বল নিয়ন্ত্রণ করতে করতেই তৈরি হয় তার খেলোয়াড়সত্তা।

পরিবার ধনী ছিল না। অনুশীলনে যাওয়া, যাতায়াত, সরঞ্জাম—হিসাব করে চলতে হতো। পরিবারের মানুষরা নিজেদের স্বাচ্ছন্দ্য কমিয়ে ভিনিকে সুযোগ করে দিয়েছিলেন। ভিনির স্বপ্নই পুরো পরিবারের স্বপ্ন হয়ে উঠেছিল।

এরপর আসে জীবনের বড় বাঁক। নিজের ভালোবাসার ক্লাব ক্লুবে দে রেগাতাস দো ফ্লামেঙ্গোর একাডেমিতে সুযোগ পান। ফুটসাল থেকে ঘাসের মাঠে খেলাটা সহজ ছিল না, কিন্তু তার গতি, ড্রিবল আর আক্রমণ সবাইকে মুগ্ধ করে। মাত্র ১৬ বছর বয়সেই ভিনি সিনিয়র দলে অভিষেক করেন।

কিশোর বয়সে তাকে দলে নেয় রিয়াল মাদ্রিদ। নতুন দেশ, ভাষা, সংস্কৃতি—শুরুটা সহজ হয়নি।

রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে জিতেছেন একাধিক লিগ শিরোপা, দুইবার ইউরোপের সর্বোচ্চ ক্লাব ট্রফি, আর দুটি ইউরোপীয় ফাইনালেও গোল করেছেন। ২০২৪ সালে তিনি জিতেছেন বিশ্বের সেরা ফুটবলারের স্বীকৃতি ফিফা বর্ষসেরা পুরুষ ফুটবলার পুরস্কার।

ব্রাজিলে তাকে অনেকেই ডাকেন ‘মালভাদেজা’, যার অর্থ প্রায় ভয়ংকর। বল পায়ে তিনি রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের জন্য হয়ে ওঠেন আতঙ্ক।

গত বিশ্বকাপে তার প্রথম যাত্রা থেমে যায় কোয়ার্টার ফাইনালে। সেই হার তাকে বদলে দেয়। আর এবার তিনি এসেছেন অন্য এক ভিনি হয়ে। ব্রাজিলের আক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু এখন তিনিই। প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে দল ড্র করলেও পরে হাইতির বিপক্ষে ৩–০ জয়ে তিনি ছিলেন পুরো ম্যাচের প্রাণ।

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৩–০ জয়ে আবারও জ্বলে ওঠেন ভিনি। ম্যাচের শুরুতেই প্রথম গোল, বিরতির আগে দ্বিতীয় গোল। এই দুই গোল তাকে টুর্নামেন্টে চার গোলের মালিক বানিয়েছে এবং গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সামনের সারিতে নিয়ে গেছে।

বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বে ধারাবাহিক গোল করে ভিনি ২৪ বছর পর ব্রাজিলের হয়ে কীর্তি গড়া প্রথম ফুটবলারদের একজন হন। নাম লেখান সেই ঐতিহাসিক তালিকায়, যেখানে একসময় ছিলেন রোনালদো নাজারিও ও রিভালদো।

ভিনিসিয়ুস জুনিয়র একসময় ছোট্ট কোর্টে বল নিয়ে দৌড়াতেন, আর আজ পুরো একটা দেশ তার দৌড়ের দিকে তাকিয়ে আছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ