• আজ- বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা আশাশুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ: গ্রেফতার দেবহাটার শামীম হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: প্রধান আসামি আমিনীকে ছাড়াতে ‘উগ্রপন্থীরা’ তৎপর কালিগঞ্জে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক

আশাশুনির আরার দারুল উলুম কওমী মাদ্রাসা নানামুখী সমস্যায় জর্জরিত: প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

রিপোর্টার: / ১১৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬

আশাশুনি (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: নানা জটিলতায় নিতান্তই অসহায়ভাবে পবিত্র কোরআন শিক্ষা নিতে হচ্ছে সাতক্ষীরার আশাশুনির আরার দারুল উলুম কওমী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের।
শ্রেণী কক্ষের স্বল্পতা, আবাসন ব্যবস্থা না থাকা, সুপেয় পানির অভাব, সীমানা প্রাচীর না থাকায় নিরাপত্তা জটিলতার মধ্যেও চলছে ৭৫ জন শিশুর পবিত্র কোরআন শিক্ষা।
সরজমিন মাদ্রাসা ঘুরে দেখা গেছে, চলমান শৈত্যপ্রবাহের মধ্যেও একচালা টিনের ঘরের মেঝেতে মাদুর পেতে শীতে কাঁপতে কাঁপতে তারা পড়াশোনা করছে। দ্বীনের শিক্ষায় শিক্ষিত হতে বিরুদ্ধ প্রকৃতির সাথে হার না মানা লড়াইটা তাঁরা দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করে যাচ্ছে এই শিশু বয়সেই।
মাদ্রাসা সুপারিনটেনডেন্ট মিয়ারাজ আলী সাংবাদিকদের জানান, শত কষ্টের মাঝেও হাসিমুখে কিভাবে তিনি এই অসহায় এতিম শিশুদের মাঝে দ্বীনের শিক্ষার ব্যবস্থা করে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, আশেপাশের অসহায়, হতদরিদ্র ও এতিম শিশুদের নূরানী, নাজরা, হেফজ ও কিতাব খানা শিক্ষা দানের লক্ষ্যে সকলের পরামর্শ, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতার আশ্বাসে গ্রামে একটি  দারুল উলুম কওমী মাদ্রাসা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। জমি দিতে কেউ সম্মত না হলে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা নিয়ে কাদাকাটি বাজার সংলগ্ন অতি মনোরম পরিবেশের নিজস্ব প্রায় ৩ বিঘা জমিতে ২০০৫ সালে তিনি কওমী মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। টিনের চাল ও বেড়া দিয়ে, এলাকা থেকে বাঁশ চেয়ে নিয়ে কয়েকটি কক্ষ নির্মাণ করে ৩ জন শিক্ষক নিয়ে আমরা মাদ্রাসার পাঠদান শুরু করি।
এলাকার অসহায়, দুঃস্থ ও এতিম ছেলেমেয়েদের ইসলামী শিক্ষার ব্যবস্থা হওয়ায় অভিভাকরা তাদের শিশুদের মাদ্রাসায় পাঠাতে শুরু করেন। কিন্তু টিনের ঘরে গরমের সময় যেমন গরম তেমন শীতের সময় প্রচণ্ড শীতে ছেলে-মেয়েদের দুর্ভোগের সীমা থাকে না। আবার বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার কারণে কাদাপানিতে পাঠদান ব্যাহত হয়। তারপরও বর্তমানে ৭৫ জন নিয়মিত শিক্ষার্থী এখানে পড়াশোনা করছে। শ্রেণী কক্ষের স্বল্পতা ও আবাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটাতে দ্বিতল ভবন নির্মাণ, সুপেয় পানির অভাব পূরণে গভীর নলকূপ স্থাপন ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ