• আজ- রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৯ অপরাহ্ন

সাতক্ষীরা প্রাণসায়ের ময়লা ফেলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি ও অবৈধ স্থাপনা দেখতে চায়না- জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার

রিপোর্টার: / ৩৯ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি অনুযায়ী ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব রোধে সাতক্ষীরায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।

 

শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর বড় বাজারে জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার আয়োজনে এবং জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সার্বিক সহযোগিতায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার এঁর নেতৃত্বে সুলতানপুর বড় বাজারের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার কার্যক্রমের জন্য বজ্য অপসারণ, পিলখানা অপসারণ, প্রাণসায়ের খালের পানি প্রবাহ রক্ষা করা, মাছ বাজারের ব্রীজ, শহরের পাকাপোল ব্রীজ, রাধানগর সড়ক, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স সড়ক ও থানা মসজিদ সড়কের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার লক্ষ্যে সরজমিনে যান এবং কথা বলেন।

 

এসময় জেলা প্রশাসক তার বক্তব্যে বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি অনুযায়ী ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব রোধে সকলকে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, প্রাণসায়ের খাল পাড়ে ময়লার ভাগাড় হতে দেওয়া হবে না। খালের পানি প্রবাহ ঠিক রাখতে খালে কোন ময়লা আবর্জনা ও অবৈধ স্থাপনা হতে দেওয়া হবে না। আজ সরেজমিনে এসে বলে গেলাম। এরপর আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোন ব্রিজের উপর দোকান পাট ও চলাচলের রাস্তার দু’ধারে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে দোকান পাট ও অবৈধ স্থাপনা দেখতে চায়না। আগামী শনিবার আবার আসবো পরিদর্শনে।

 

সাতক্ষীরাকে সকলের জন্য বাসযোগ্য করে তুলতে জেলাবাসীকে সাথে নিয়ে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ। সাতক্ষীরা জেলাবাসীর নাগরিক সেবা ও জেলার উন্নয়নে নাগরিকদের পাশে থেকে নিরলসভাবে কাজ করার জন্য জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির নেতৃবৃন্দকে ভূয়সী প্রশংসা ও ধন্যবাদ জানান জেলা প্রশাসক।”

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক এ্যাড. সৈয়দ ইফতেখার আলী, জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির উপদেষ্টা শেখ কামরুল ইসলাম ফারুক ও জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব ডাঃ আবুল কালাম বাবলা প্রমুখ।

 

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও পৌরসভার প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন, সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভাপতি দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক ও প্রকাশক জি এম নুর ইসলাম, সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী মো. আসাদুজ্জামান, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী এম এম নূর আহম্মেদ, সহকারি প্রকৌশলী ভারপ্রাপ্ত সাগর দেবনাথ, জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির উপদেষ্টা সাবেক অধ্যক্ষ মো. লিয়াকত পারভেজ, সহ-সভাপতি তৈয়েব হাসান বাবু প্রমুখ।

এসময় সুলতানপুর বড় বাজারের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জেলা প্রশাসককে জানান, সাতক্ষীরা প্রাণসায়ের খালের ধারে পৌরসভার কসাইখানা (পিলখানা) হলে আবারও ময়লা ও বর্জ্যের ভাগাড়ে পরিনত হবে এবং খালের পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হবে। আদালতে এই পিলখানার জায়গা নিয়ে মামলা চলমান আছে। আদালত স্থিতিশীল অবস্থায় থাকার নির্দেশ দিয়েছে। আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে সাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃপক্ষ প্রাণসায়ের খালের ধারে কসাইখানা স্থাপন করার লক্ষ্যে টেন্ডার দিয়েছে। যা খুবই দুঃখজনক বলে জানান ব্যবসায়ীরা। খালের পাড়ে পিলখানা না করার অনুরোধ জানান।

 

এসময় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ, পৌর কর্তৃপক্ষ, জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির নেতৃবৃন্দ, সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের যুব সদস্য, বিডি ক্লিন এর সদস্য, সুলতানপুর মাছ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ, শহর কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ, সাতক্ষীরা শহর মাংস ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ