• আজ- বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
সাতক্ষীরা ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুলে মেধাবৃত্তি পেল তিন শিক্ষার্থী পারুলিয়া ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চান নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরায় আনন্দ এনজিও’র ৫ হাজার সদস্যের ২০ লক্ষ টাকা আত্মসাত সাতক্ষীরা দেড়দশক ধরে মূর্তিমান আতঙ্ক ছিল শওকত-পটল কালিগঞ্জে দিনে-দুপুরে মহাসড়কে সাংবাদিকের ওপর হামলা: বাইক, টাকা ও মোবাইল ছিনতাই আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু কালিগঞ্জে এক ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ মেম্বার পদপ্রার্থী ১০: বিভ্রান্তিতে ভোটাররা আশাশুনিতে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলাৎকারের অভিযোগ: গ্রেফতার দেবহাটার শামীম হত্যাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে: প্রধান আসামি আমিনীকে ছাড়াতে ‘উগ্রপন্থীরা’ তৎপর কালিগঞ্জে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক

আশাশুনিতে পটকা মাছ খেয়ে একজনের মৃত্যু: একই পরিবারের আরো ৪ জন অসুস্থ

রিপোর্টার: / ১৩৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আশাশুনি (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার আশাশুনিতে পটকা মাছ খেয়ে একই পরিবারের চারজন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এ ঘটনায় আজহারুল ইসলাম (৪৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

 

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার বড়দল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ তিনজন ও নিহতের মাকে সাতক্ষীরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বড়দল গ্রামের মৃত মজিদ গাজীর ছেলে মুদি ব্যবসায়ী আজহারুল ইসলাম সোমবার সকালে বড়দল বাজারের মাছ ব্যবসায়ী রবিউল ইসলামের কাছ থেকে কাটা মাছ কেজি দরে কিনে বাড়িতে পাঠান। দুপুরে পরিবারের সদস্যরা ওই মাছ দিয়ে ভাত খান। খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণ পরই তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন।

 

প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেওয়া হলেও অবস্থার অবনতি হলে তাদের সাতক্ষীরায় নেওয়া হয়। সেখানে রাত সাড়ে ৮টার দিকে চিকিৎসক আজহারুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

অসুস্থরা হলেন আজহারুল ইসলামের মেয়ে সোনালী (১১), ছেলে রমিম (৭), স্ত্রী ময়না ও মা রাশিদা (৬৫)। তারা বর্তমানে সাতক্ষীরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিষাক্ত পটকা মাছ খাওয়ার কারণেই তারা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ চিকিৎসকের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য লেখা সমূহ